আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অভিজ্ঞ অডিওলজিস্ট দ্বারা নির্ভুল শ্রবণ ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য হিয়ারিং টেস্ট সেবা আমরা প্রদান করি।

Hearing Tests

বাংলাদেশ হিয়ারিং সেন্টার অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও অভিজ্ঞ অডিওলজিস্টের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট ও পেশাদার হিয়ারিং টেস্ট (Hearing Tests) সেবা প্রদান করে থাকে। যেকোনো ধরনের শ্রবণ সমস্যার প্রাথমিক নির্ণয় ও মূল্যায়নের জন্য এই পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের হিয়ারিং টেস্টের মধ্যে রয়েছে Pure Tone Audiometry (PTA), Tympanometry, Speech Audiometry, ও OAE ইত্যাদি Test —যা আপনার শ্রবণ ক্ষমতা বিশ্লেষণ করে সঠিক সমাধান নির্ধারণে সহায়তা করে। আমরা শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের জন্য আলাদা ফরম্যাটে পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখি।

সঠিক সময়ে হিয়ারিং টেস্ট করিয়ে নিলে শ্রবণ সমস্যা দ্রুত নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা হিয়ারিং এইড ফিটিং সহজ হয়।

যোগাযোগ করুন –

01712 -883856

Let’s Talk

Location

Room No #16, 1st Floor, Uttara Tower, Jashimuddin Avenue Sector # 03 Uttara, Dhaka-1230.

সম্পূর্ণ অডিওলজিক্যাল মূল্যায়ন :

আমরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রবণ শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার শ্রবণ সমস্যার ধরণ ও মাত্রা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করি।

স্পিচ ও সাউন্ড শনাক্তকরণ পরীক্ষা :

আমাদের বিশেষজ্ঞরা শান্ত ও শব্দপূর্ণ পরিবেশে আপনার কথা বোঝার ক্ষমতা যাচাই করেন, যা যথাযথ হিয়ারিং এইড নির্বাচনে সহায়তা করে।

কান ও চিকিৎসা সংক্রান্ত স্ক্রিনিং :

আমরা আপনার কান স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি যেন এমন কোনো চিকিৎসাজনিত সমস্যা না থাকে যা হিয়ারিং এইডের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। Ask ChatGPT

উন্নত ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি :

আমরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সব বয়সের মানুষের জন্য নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য হিয়ারিং টেস্ট পরিচালনা করি।

বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ও পরামর্শ :

আমাদের অভিজ্ঞ অডিওলজিস্টরা আপনার পরীক্ষার ফলাফল গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোত্তম শ্রবণ সমাধান সুপারিশ করেন।

সুনির্দিষ্ট ফিটিংয়ের ভিত্তি :

প্রতিটি হিয়ারিং এইড ফিটিং শুরু হয় একটি মানসম্পন্ন হিয়ারিং টেস্টের মাধ্যমে—যা নিশ্চিত করে আপনার ডিভাইস সর্বোচ্চ কার্যকারিতা ও ব্যক্তিগত আরাম প্রদান করতে পারে।

সম্পূর্ণ শ্রবণ মূল্যায়ন :

আমরা উন্নত ডায়াগনস্টিক টুল ব্যবহার করে আপনার শ্রবণ শক্তির ধরন ও মাত্রা নির্ধারণ করি, যা সুনির্দিষ্ট হিয়ারিং এইড ফিটিংয়ের জন্য ভিত্তি তৈরি করে।

ব্যক্তিগতকৃত শ্রবণ প্রোফাইল :

আমাদের অডিওলজিস্টগণ আপনার হিয়ারিং টেস্টের ফলাফল বিশ্লেষণ করে একটি ব্যক্তিকৃত শ্রবণ প্রোফাইল তৈরি করেন যা আপনার নির্দিষ্ট শ্রবণ চাহিদার সাথে মানানসই।

তথ্যভিত্তিক ডিভাইস নির্বাচন :

পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে আমরা এমন হিয়ারিং এইড মডেল সুপারিশ করি যা আপনার আরাম, শব্দের স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সন্তুষ্টি নিশ্চিত করে।

কেন আমাদের নির্বাচন করবেন?

বিশ্বস্ত বিশেষজ্ঞরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তিগতকৃত শ্রবণ সেবা প্রদান করে।

বাংলাদেশ হিয়ারিং সেন্টারে, আমরা বিশেষজ্ঞ পরিচর্যা ও উন্নত শ্রবণ প্রযুক্তির সমন্বয়ে ব্যক্তিগতকৃত এবং কার্যকর শ্রবণ সমাধান নিশ্চিত করি। আমাদের সনদপ্রাপ্ত অডিওলজিস্টরা সঠিক মূল্যায়ন, নিখুঁত হিয়ারিং এইড ফিটিং, এবং নিয়মিত ফলো-আপ সাপোর্ট প্রদান করেন। আমরা রোগীর আরাম, শ্রবণের স্পষ্টতা এবং দীর্ঘমেয়াদী সন্তুষ্টির উপর গুরুত্ব দিই। বিশ্বস্ত সুনামের পাশাপাশি আধুনিক সুবিধা নিয়ে, আমরা আপনাকে ভালোভাবে শুনতে এবং পূর্ণভাবে জীবন যাপনে সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নির্বাচন করুন যত্নশীল সেবা এবং নির্ভরযোগ্য শ্রবণ পরিচর্যার জন্য যা আপনি বিশ্বাস করতে পারেন।

হিয়ারিং টেস্ট - এর বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাসমূহ

Features

আধুনিক অডিওমেট্রি যন্ত্রপাতি দ্বারা পরীক্ষা।

অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত অডিওলজিস্ট দ্বারা পরিচালিত।

শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা টেস্ট পদ্ধতি।

বিভিন্ন ধরনের হিয়ারিং টেস্ট (PTA, Tympanometry, OAE)।

রিপোর্টসহ বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও পরামর্শ প্রদান।

Benefits

শ্রবণ সমস্যার সঠিক ও দ্রুত নির্ণয় সম্ভব।

হিয়ারিং এইড ফিটিংয়ের জন্য উপযুক্ত ডাটা পাওয়া যায়।

শ্রবণজনিত সমস্যার মানসিক প্রভাব কমানো যায়।

সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

শ্রবণ ক্ষমতার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়।

সর্বাধিক জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি

সাধারণত হিয়ারিং টেস্ট সম্পন্ন হতে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় লাগে, টেস্টের ধরন ও রোগীর বয়স অনুযায়ী সময় ভিন্ন হতে পারে।
আধুনিক Pure Tone Audiometer, Tympanometer, OAE (Otoacoustic Emissions) এবং Speech Audiometry যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
না, টেস্টটি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন এবং অস্বস্তি মুক্ত। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সহজ প্রক্রিয়া।
যদি আপনি শব্দ স্পষ্ট শুনতে না পারেন, কথা বুঝতে সমস্যা হয় বা শোনা কমে গেছে মনে করেন, তখন হিয়ারিং টেস্ট করানো প্রয়োজন।
রিপোর্ট সাধারণত টেস্টের সাথে সাথে বা একদিনের মধ্যে দেওয়া হয়। এরপর আমরা আপনার শ্রবণ পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসা বা হিয়ারিং এইড ব্যবহারের পরামর্শ দেব।